কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন?
-
ক
গোবিন্দ দাস
-
খ
কায়কোবাদ
-
গ
কাহ্ন পা
-
ঘ
ভুসুকু পা
চর্যাগীতি রচনার সংখ্যাধিক্যে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হলেন ভুসুক পা। তাঁর রচিত আটটি পদ চর্যাপদ গ্রন্থে সংগৃহীত হয়েছে। তাঁর প্রকৃত নাম শান্তিদেব। তিনি সৌরাষ্ট্রের রাজপুত্র ছিলেন এবং শেষ জীবনে নালন্দায় বৌদ্ধ ভিক্ষু হিসেবে নিঃসঙ্গ ভাবে অবস্থান করেন। সেজন্য ভুক্তির ভু, সুপ্তির সু এবং কুটিরের কু - এই তিন আদ্যাক্ষর যোগে তাঁকে ভুসুকু বলে পরিহাস করা হত। ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতে শান্তিদেব ভুসুকু সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বর্তমান ছিলেন। রাহুল সাংকৃত্যায়নের মতে ভুসুকুর জীবিৎকালের শেষ সীমা ৮০০ খ্রিস্টাব্দ। ধর্ম পালের রাজত্বকালে (৭৭০ - ৮০৬ খ্রিস্টাব্দ) ভুসুকু জীবিত ছিলেন। তিনি রাউত বা অশ্বারোহী সৈনিক ছিলেন। পরে ভিক্ষু ও সিদ্ধ হন। 'আজি ভুসুকু বঙ্গালী ভইলী। নিঅ ঘরিণী চন্ডালে লেলী। ' - ভুসুকুর এই উক্তিকে প্রমাণ স্বরূপ মনে করে তাঁকে বাঙালি অনুমান করা হয়।
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
চর্যাদের কবিদের মধ্যে সর্বাধিক পদ রচয়িতা হলেন কাহ্নপা । চর্যাপদে তাঁর পদের সংখ্যা ১৩টি। তিনি কাহ্নপা, কৃষ্ণবজ্রপাদ, কাহ্ন, কানু, কাহ্নিল, কৃষ্ণচর্য প্রভৃতি নামে পরিচিত ছিলেন। এ নামগুলো তার রচিত পদগুলোর ভূমিকায় পাওয়া গিয়েছে। কাহ্নপার জীবনকালের শেষ সীমা ৮৪০ খ্রিষ্টাব্দ। তাঁর জন্ম উড়িষ্যায় হলেও তিনি বিহারে বসবাস করতেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি সহজিয়া তান্ত্রিক বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের যোগী ছিলেন। তিনি ধর্মশাস্ত্র ও সঙ্গীতশাস্ত্র উভয়দিকেই দক্ষ ছিলেন । তিনি ডোম্বীর প্রেমে পড়ে নিজের সাধনা জলাঞ্জলি দিয়েছিলেন বলে তার রচনা হতে জানা যায় (১০ নং পদ)। চর্যাপদের ১৩নং ও ১৮নং পদে তার বিবাহের সংবাদ রয়েছে। চর্যাপদ ছাড়া তিনি অপভ্রংশ ভাষায় দোহাকোষ রচনা করেন । তিনি দেবপালের রাজত্বকালে বর্তমান ছিলেন ।
Related Question
View All-
ক
১২টি
-
খ
সাড়ে ১২টি
-
গ
১৩টি
-
ঘ
১০টি
-
ক
কাহ্নপা
-
খ
লুইপা
-
গ
সরহপা
-
ঘ
শবরপা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন